প্রাপ্তবয়স্ক মহিলাদের সাধারণত প্রতিদিন ১৬০০ থেকে ২৪০০ ক্যালরি, এবং প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ প্রতিদিন ২০০০ থেকে ৩০০০ ক্যালরি খেতে হয়।
খাদ্ যতালিকায়: খাদ্য প্রোটিন, ফ্যাট, এবং কার্বোহাইড্রেটগুলির যথাযথ অনুপাতে থাকতে হবে ।
একজন মোটামুটি পরিশ্রমী লোকের ৩১/৫০বছর বয়স হলে তার দৈনিক প্রয়োজন ২৪০০-২৬০০ কিলোক্যালোরি
আপনি যখন এক মাসের জন্য প্রতিদিন আদা খান তখন আপনার শরীরে এটি ঘটে
এটি আপনার দেহের সাথে এটি করে:
আদা প্রতিদিন
আপনি কি এক মাস ধরে প্রতিদিন আদা খাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? তাহলে আমরা আপনাকে থামাব না! প্রতিদিন আদা খাওয়ার অনেকগুলি স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। পার্শ্ব দ্রষ্টব্য: আপনার প্রতিদিন এক টুকরো আদা লাগবে না। একটি বড় টুকরো - প্রায় 1.5 সেন্টিমিটার - কে ছোট ছোট টুকরো টুকরো করে কেটে নিন আপনার স্মুদি, চা বা এশিয়ান খাবারের সাথে। ভাবছেন যে এটি আপনার দেহের সাথে কী করে? আমরা আপনাকে এটি ব্যাখ্যা করব।
অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি: দেহে প্রদাহ দ্রুত হ্রাস পায়। এটি আদা এর প্রদাহ বিরোধী প্রভাবের কারণে।
বমিভাব অদৃশ্য হয়ে যায়: আপনি কি সকালে প্রায়শই বমি বমি ভাব করেন? আমরা বাজি দিয়েছি যে প্রতিদিন আদা খাওয়া আপনাকে সাহায্য করবে! প্রতিদিন আদা খেলে বমি বমি ভাব শীঘ্রই হ্রাস পাবে। পরামর্শ: বিশেষত গর্ভবতী মহিলা এবং কেমোথেরাপি করানো লোকেরা এতে উপকৃত হতে পারে।
পেশী ব্যথা হ্রাস: আপনার পেশীতে ব্যথা বা অঙ্গে ব্যথা আছে? আদা খাওয়ার এতে ভাল প্রভাব থাকতে পারে। প্রতিদিন আদা সেবন করলে ধীরে ধীরে ব্যথা সহজ হবে।
অন্ত্রের গতিবিধি উত্সাহ দেয় : প্রতিদিন আদা খাওয়া আপনার অন্ত্রের গতিবিধির জন্য অনেক ভাল কাজ করে। আপনি কি নিয়মিত কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? তাহলে এটি আপনাকে সাহায্য করতে পারে।
ঋতুস্রাব ব্যথা: আপনি কি মাসের এই সময়টিতে ধ্রুবক ব্যথা করছেন? তাহলে প্রতিদিন আদা খাওয়া আপনাকে সাহায্য করতে পারে। মশলা ব্যথার ওষুধ খাওয়ার মতো, যা তীব্র পেটের ব্যথা উপশম করতে পারে।
কোলেস্টেরল হ্রাস করে: এক মাস ধরে প্রতিদিন আদা খাওয়ার ফলে শরীরে "খারাপ" কোলেস্টেরল কমে যায়। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ আদাতে থাকা পদার্থ দ্বারা হ্রাস পায়।
ইমিউন সিস্টেম বাড়ায়: আদাতে প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। আপনি কি ইতিমধ্যে ঠান্ডা বা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন? তারপরে আদা আপনাকে দ্রুত পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে।
অর্থ : আল্লাহ, যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। কোন তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে পাকড়াও করতে পারে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছু তাঁরই মালিকানাধীন। তাঁর হুকুম ব্যতিত এমন কে আছে যে, তাঁর নিকটে সুফারিশ করতে পারে? তাদের সম্মুখে ও পিছনে যা কিছু আছে সবকিছুই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসমুদ্র হতে তারা কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না, কেবল যতুটুকু তিনি দিতে ইচ্ছা করেন তা ব্যতিত। তাঁর কুরসি সমগ্র আসমান ও জমিন পরিবেষ্টন করে আছে। আর সেগুলির তত্ত্বাবধান তাঁকে মোটেই শ্রান্ত করে না। তিনি সর্বোচ্চ ও মহান’।।
সুন্দর গোলাবী ঠোঁট সকলেরই কাম্য সুন্দর কোমল ঠোঁটের জন্য কিছু করণীয় আছে । সুন্দর হাসি সুন্দর ঠোট ছেলেমেয়ে সকলের আরাধ্য বিষয়, কিন্তু আমাদের কতিপয় অভ্যাসের কারণে ঠোট কালো হয়ে যায় । অতিরিক্ত চা পান এবং যারা বেশি রোদে যান বা ঠোঁটের যত্ন কম নেন তাদের কালচে দাগের সমস্যা দেখা দিতে পারে এসকল সমস্যা দূর করার জন্য প্রাকৃতিক ও সহজ কতগুলো উপায় সম্পর্কে আমরা জানব ।
গোলাপ জল :
তুলারবল তৈরি করে তাতে গোলাপজল মিশিয়ে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে লাগান । এত ঠোঁটে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং ঠোঁট বাড়তি যত্ন পাবে । ঠোঁটের দাগ দূর হব।
শসার জুস:
অর্ধেক শসা ব্লেন্ড করে জুস তৈরি করুন । তহুলার বল দিয়ে এই জুস ঠোঁটে লাগাতে পারেন । ২০-৩০ মিনিট পর তা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন । শসার জুস আর্দ্র রাখার পাশাপাশি ঠোঁটে সতেজ ভাব এনে দিতে পারে।
বিট:
এক টুকরো নিয়ে ঠোঁটে ভালো করে ঘষতে থাকুন। ১৫-২০ মিনিট পর ভালো করে তা ধুয়ে ফেলুন। বিটের রস ঠোঁটের পোড়া ও কালচে ভাব দূর করবে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকে সতেজতা এনে দিতে পারে এবং ত্বক সুস্থ রাখে।
বেকিং সোডা :
বেকিং সোডার সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। চক্রাকারে ২-৩ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। ভেজা ভাব শুকিয়ে গেলে ঠোঁটের কোনো জেল ব্যবহার করুন।
অ্যাপল সিডার ভিনেগার :
এক চা-চামচ পানিতে এক চা-চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার নিয়ে তুলা দিয়ে ঠোঁটে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দানকারী উপাদান হিসেবে কাজ করবে এটি।
ঘৃতকুমারী:
ঘৃতকুমারীর রয়েছে তাক লাগানো গুণ। ঘৃতকুমারীর জলীয় অংশ ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। এরপর হালকা গরম পানিতে তা ধুয়ে ফেলুন। এতে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে।
গ্লিসারিন:
তুলা দিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে একটু গ্লিসারিন মাখিয়ে রাখুন। এতে ঠোঁট আর্দ্র থাকবে। শুষ্কতা দেখা যাবে না।
লেবু মধূ
অনেকক্ষণ যাঁদের রোদে থাকতে হয়, তাঁরা লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিতে পারেন। এ মিশ্রণ কিছুক্ষণ ঠোঁটে রাখুন। এরপর ভেজা নরম কাপড় দিয়ে তা মুছে ফেলুন।
নারকেল তেল :
আঙুলের মাথায় একটু নারকেল তেল নিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে রাখুন। এতে যে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, তা ঠোঁট আর্দ্র ও সবল রাখে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।
পুদিনা পাতা:
পুদিনা পাতা বেটে রস আলাদা করে নিয়মিত ঠোঁটে লাগান। বরফের কিউব নিয়ে ঠোঁটে ম্যাসাজ করুন, পরে বাদাম তেল এবং অলিভ অয়েল মিক্স করে ম্যাসাজ করুন। ঠোঁটের ন্যাচারাল কালার ফিরে আসবে।
গাজরের রস :
গাজরের রস করে একটা বাটিতে নিয়ে, তুলা দিয়ে ঠোঁটে লাগান। এতে খানিকটা স্যাফরন মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে ঠোঁটের আর্দ্রতাও ফিরে আসবে, রঙও ফিরবে একই সাথে।
টমেটোপেষ্ট :
টমেটো পেস্ট করে নিন এবং এর সাথে ক্রিম মিক্স করে লাগান অথবা টমেটো পেস্টের সাথে নারিকেল তেল মিশিয়ে লাগান।
গোলাপের পাপড়ি :
গোলাপের মত ঠোঁট পেতে চাইলে গোলাপ ব্যবহার করব না, তাই কি হয়? কিছু গোলাপের পাপড়ি নিন এবং দুধে ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর পাপড়িগুলো বেটে নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এতে কয়েক ফোঁটা মধু আর গ্লিসারিন দিন। এবার পেস্টটা আপনার ঠোঁটের উপর ১৫ মিনিট রেখে দিন। এক টুকরো তুলা দুধে ভিজিয়ে পেস্টটি তুলে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে অসাধারণ রেজাল্ট পাওয়া যায়।
স্ট্রবেরির রস:
স্ট্রবেরির রসঃ দুই চা চামচ স্ট্রবেরি রসের সঙ্গে এক চামচ পেট্রোলিয়াম জেলি মিশিয়ে ঠোঁটে হালকা করে ঘষে রেখে দিন। মিশ্রণটি প্রতিদিন ব্যবহারে ঠোঁটে গোলাপী আভা ফিরে আসে।
ঠোঁট সুন্দর রাখতে নিচের কাজগুলো না কারা উত্তম :
চা, কফিসহ অন্যান্য পানীয় আপনার ঠোঁট কালো হওয়ার জন্য দায়ী। এগুলো খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
ধূমপানের অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন। কেননা, ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হবেই।
পানিশূন্যতা আপনার ঠোঁটের আর্দ্রতা কেড়ে নেয়। তাই নিয়ম করে প্রতিদিন পানি পান করুন, কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস।
ঠোঁট কখনই বারবার জিভ দিয়ে ভেজাবেন না।
সরাসরি সূর্যের আলো ঠোঁটের স্বাভাবিক রঙ নষ্ট করে। যতদূর সম্ভব এটা এড়িয়ে চলুন। বাইরে যেতে হলে উঁচুমানের সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করুন।
আপনার খাবারে রাখুন প্রচুর শাকসবজি।